প্রায় ৬৬ হাজার নিরীহ ফিলিস্তিনীর প্রাণ নেয়া ও অসংখ্য মানুষকে আহত ও বাস্তুচ্যুত করার পর গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র একটি বিস্তৃত ২০ দফা পরিকল্পনার কথা ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছে। এতে আরব ও পশ্চিমা দেশগুলোও সমর্থন দিচ্ছে। পরিকল্পনায় যুদ্ধবিরতি, বন্দী বিনিময়, ইসরায়েলী সেনা প্রত্যাহার, ইন্টারন্যাশনাল স্টাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ), গাজা পুনগর্ঠন, মানবিক সহায়তার বিষয়গুলো ইতিবাচক হিসেবে মনে হচ্ছে। কিন্তু ট্রাম্প ও কুখ্যাত টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে "পিস বোর্ড" এর নজরদারিতে গাজায় কি ফিলিস্তিনের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে? নাকি ইসরায়েলেরই পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে গাজাবাসীরা নির্যাতিত হতে থাকবে? ইসরায়েলের বিশ্বস্ত মিত্র ও নারকীয় গণহত্যার প্রত্যক্ষ সমর্থনকারী, সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র কি নিরপেক্ষ থাকবে? ইতিহাস থেকে আমরা দেখেছি যে, ইসরায়েল বারবার আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এ ছাড়া এ পরিকল্পনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি হলেও গাজায় যে গণহত্যা ঘটেছে, তার জন্য কি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী শাস্তি ও বিচারের থেকে মুক্তি পেয়ে গেলেন? গণহত্যার বিচার না হলে তা ইতিহাসে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে যে, আন্তর্জাতিক মহল গণহত্যাকারীদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে পারেনি।
আমরা "আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত" এবং "বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)" স্পষ্টভাবে বলতে চাই "ফিলিস্তিনের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠায় স্বীকৃতি প্রদান বা যুদ্ধবিরতি যথেষ্ট নয়৷ ফিলিস্তিনে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলে জাতিসংঘ সনদের ১৮১(১) রেজুলেশন এর আলোকে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই বাস্তবিক। পাশাপাশি এ নারকীয় গণহত্যার জন্য ইসরায়লকে আন্তর্জাতিক আইনের মুখোমুখি হতেই হবে।"
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |