সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি : সীতাকুণ্ডের আবুল খায়ের গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডে মিলে সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালায়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোররাত সাড়ে ৫টার দিকে শীতলপুর এলাকায় আবুল খায়ের গ্রুপের ফ্যাক্টরিতে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিনজন ডাকাতকে আটক করে ফ্যাক্টরিতে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা।
ডাকাতরা ফ্যাক্টরির ভেতর থেকে তামা/পিতল, মোটর এবং বৈদ্যুতিক ক্যাবলসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুট করে পালানোর চেষ্টা করছিল। এসময় দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা বাধা দিলে ডাকাত দল তাদের ওপর আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার্থে আনসার সদস্যরা ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে ডাকাতরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে আনসার পি.সি মো. স্বপন বেপারীর নেতৃত্বে একটি দল তাদের ধাওয়া করে। এসময় ৩ ডাকাতকে হাতেনাতে আটক করে তারা। বাকি ডাকাতরা মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
আটককৃত ডাকাতরা হলো, সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকার মোহাম্মদ সিরাজের ছেলে জাবেদ (২৭), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে শরিফুর রহমান (২৮) ও নোয়াখালির বেগমগঞ্জ থানার বন্তাবাড়ি এলাকার মো. শাহাজানের ছেলে রাসেল (২৯)।
প্রতিষ্ঠানটির ডিজিএম (এইচআর এডমিন) ইমরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, আটককৃতদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া কিছু বৈদ্যুতিক কাটা ক্যাবল, দেশিয় কিরিচ ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর পর ফ্যাক্টরির সিকিউরিটি টিম ও আনসার সদস্যরা মিলে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ফ্যাক্টরীতে ডাকাতির ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটকৃত ডাকাতদের আদালতে প্ররণ করা হয়েছে। আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করে। অন্যান্য ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
কারাখানা সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় বছরে এই ফ্যাক্টরীতে সাত বারের একাধিকবার ডাকাদির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া মব সৃস্টি করে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। থানায় পৃথক মামলা ও জিডি হলেও সন্ত্রাসী এখনো বেপরোয়া। নানা কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে সংঘবদ্ধ সেন্ডিকেট ও ডাকাত চক্র।
এছাড়া গত ২৬ ফেব্রুয়ারী গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল লুটতরাজ ও হামলা চালায়। এ ঘটনায় বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের দুই নেতাসহ সাতজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দিয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |