চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের দুই দফা সংঘর্ষের সময় পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন হাসান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ শওকত আলী।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর লালদিঘি এলাকায় সিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
সিএমপি কমিশনার বলেন, সিটি কলেজে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের অভিযান চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। শনাক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করেনি।
সংঘর্ষের সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল কি না তা তদন্ত করে দেখা হবে। যদি গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং অস্ত্রধারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) গ্রাফিতির লেখা মোছাকে কেন্দ্র করে সকালে ও বিকেলে দুই দফায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হয়।
সিটি কলেজের একটি দেয়ালে লেখা ‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’শিরোনামের একটি গ্রাফিতি ঘিরে এই উত্তেজনার সূত্রপাত। সোমবার রাতে ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী ওই গ্রাফিতি পরিবর্তন করলে পরদিন সকালে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফা সংঘর্ষ শুরু হয়।
সকালের ঘটনার পর বিকেল চারটার দিকে ছাত্রশিবিরের তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় উভয় পক্ষের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায় এবং কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বুধবার সকালে একই অভিযোগ করেন সংঘর্ষে আহতদের দেখতে চট্টগ্রামে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
সংঘর্ষে ছাত্রশিবির কর্মী আশরাফুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |